প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগ্যতাভিত্তিক বেতন কাঠামো:

Primary-education

উজ্জল কুমার বিশ্বাসঃ প্রাথমিক শিক্ষা মানব জীবনের ভিত গড়ে দেয়। আর এই কাজটি করে থাকেন আমাদের সম্মানিত প্রাথমিক শিক্ষকবৃন্দ (প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক)। প্রাথমিক শিক্ষার চরম সমালোচকদেরও একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে এই শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার চারটি স্তরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করেন, সময়ের হিসাবেও (৯:০০-৪:৩০) সবচেয়ে বেশি দায়িত্বপালন করেন, সবচেয়ে কম বেতন পান, প্রতিদিন ৭-১০ টি পাঠদান করেন (যা হাইস্কুলে ৩-৪টি, কলেজে ১-২টি, বিশ্ববিদ্যালয়ে ১টি) এবং অল্পতেই বেশি প্রবঞ্চনা সহ্য করতে হয়।

অসাধারন ডিজাইনের শাড়িটি আজই সংগ্রহ করুন

 তুমি আমাকে শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দিবো ” নেপোলিয়ন বোনাপার্ট। একটি সমাজ কে উন্নত করতে হলে আগে শতভাগ শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আর এই গুরু দায়িত্বটা সমাজে মায়ের পরে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকদের নিতে হয়। তাই তাদের দাবি যৌক্তিক। তবে এজন্য সকল শিক্ষককে ধৈর্য্য ধরা এবং সহনশীল হওয়া বাঞ্চনীয়। কারন সরকার ইতিমধ্যে পে-স্কেল প্রদান করেছে এবং প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন স্কেল আলাদাভাবে উন্নীত করেছে। বাংলাদেশের মত একটি জনবহুল একটি দেশে যেখানে মৌলিক আরও অনেক সমস্যা নিরসনেও সরকারকে হিমসিম করতে হয়। সহকারী শিক্ষকদের বেতন বাড়লে প্রকারন্তে উর্দ্ধতন সবাই লাভবান হবেন। অন্যদিকে অন্যের স্বার্থ ক্ষুন্ন করে নিজের স্বার্থ হাসিলের মানসিকতাও সমীচীন নয়। শিক্ষানীতি ২০১০ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত তরান্বিত হলে শিক্ষকগণের যোগ্যতাভিত্তিক বেতন প্রদান এমনিতেই বাস্তবায়ন হবে।  তাই প্রাথমিক শিক্ষার স্বচ্ছ ভাবমূর্তির জন্য  ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা উচিত। কারন বাঙ্গালিদের সকল নায্য দাবী আদায় হয়েছে।

আপনার মতামত দিতে কমেন্ট এ লিখুন।

 

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Show Buttons
Hide Buttons
%d bloggers like this: