কিভাবে মিথ্যাবাদিকে চেনা যায়

কিভাবে মিথ্যাবাদিকে চেনা যায়কারা সমাজের প্রকৃত শত্রু?

এর উত্তর জানার আগে, আমাদের বুঝতে হবে, শত্রুতার একটা পরিধি আছে। যেমন, বন্ধু ও বন্ধুর মধ্যে,  পারিবারিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক।  কোন মানুষ যখন তার ভাল মন্দ বিচার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে আর কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ তখনই সে সমাজের জন্য শত্রু হয়ে পড়ে। আর এর জন্য সে  নিজের মধ্যে একটা খারাপ পরিবর্তন আনে আর সেটা হচ্ছে মিথ্যাবাদিতা

কোন মানুষ যখন মিথ্যা বাক্য, মিথ্যা অভিনয় করে কথা বলতে শিখে, সে হয়ে যায় অতিব ভয়ংকর সমাজের জন্য আর ব্যাক্তিগত জীবনেও। তাকে বিশ্বাস করা খুব বড় একটা ভুল। এই ধরনের মানুষ যখন সমাজে অধিক পরিমানে বিদ্যমান থাকে তখন সে সমাজ হয়ে ওঠে অবিশ্বাস আর ছলনার একটা আস্তা কুড়ে। সে সমাজে বসবাস করা যায় না।

সমস্ত অপরাধের মূল হল মিথ্যা বাক্য বলা। কারণ, একটা মিথ্যাকে ঢাকতে আর একটা মিথ্যা বাক্য সৃষ্টি করতে হয়। আর এভাবেই বেড়ে চলে  মিথ্যার পরিধি। তখন ওই কথিত ও সৃষ্টি কৃত মিথ্যাকে সত্য বলে প্রমান করতে গোপনে আরও অপরাধ করতে হয়। তার মানে এটা যেন একটা মিথ্যা ও ছলনার একটা চক্র।

মিথ্যাবাদিকে কেউ বিশ্বাস করে না এটা আমরা সবাই জানি, আর সে যদি হয় অতিব কাছের মানুষ তাহলে তো জীবনে যে কোন সময় ভয়ঙ্কর পরিনতি হতে পারে। বোকা কখন মিথ্যা বাদি হতে পারে না। এটা সুনিশ্চিত। কারন, মিথ্যায় জীবন চালানর জন্য দরকার সুতীক্ষ্ণ মেধা আর স্মৃতি শক্তি যা কিনা মিথ্যা বাদির শক্তি।

সমাজে মিথ্যা প্রবেশ করেল সে সমাজ উচ্ছন্নে যাবে। পারস্পারিক বিশ্বাস, ভালবাসা, শ্রদ্ধা, কিছুই থাকেনা। আর একবার যে সমাজ ও পরিবার নষ্ট হয়েছে তার মুলে ছিল মিথ্যাবাদিতা ও ছলনার প্রভাব।

কিভাবে মিথ্যাবাদিকে চেনা যায়?

মিথ্যাবাদিকে চেনা আসলেই খুব কঠিন। কারন সমস্থ প্রমান তাদের থাকে। যদি পারিবারিক জীবনে অবিশ্বাস ও মিথ্যাবাদীর কবলে পড়তে পারেন বলে সন্দেহ হয় তবে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন?

১। কাছের লোকের কথোপকথন গুলো  রেকর্ড করুন ও বিচার করুন।

২। সন্দেহ পূর্ণ কথা গুলো বেশি যাচাই করুন।

  মিথ্যাবাদী কিভাবে নিজেকে শুধরাতে পারে?

মিথ্যাবাদী জীবনে কখনও সুখী হতে পারে না। কেউ যদি মিথ্যার আশ্রয়ে থাকে তাহলে  সমাজে কেউ তাকে ভালবাসে না। এজন্য সে নিজেকে কিছু টিপস এর মাধ্যমে শুধ্রিয়ে নিতে পারে এবং পরিপূর্ণ সুখী জীবন যাপন করতে পারে।

১। মিথ্যা না বলার দৃঢ় প্রতীজ্ঞা করতে হবে।

২। নিজেকে বিনয়ী করতে হবে।

৩। সহজ সরল জিবন যাপনের চেষ্টা করতে হবে।

৪। সমালচনা ও ছলনা পরিত্যাগ করতে হবে।

সর্বোপরি, আমরা সবাই যদি সচেতন হই এবং যারা মিথ্যা বাক্য বলে ও প্রতারনা করতে চেস্টা করে তাদেরকে নিরুৎসাহিত করি। মিথ্যাবাদি ও প্রতারক কে ভাল মানুষ হতে সহায়তা করি তাহলে সুখী ও শান্তি পূর্ণ দেশ গড়তে বেশি দিন সময় লাগবে না।

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Show Buttons
Hide Buttons
%d bloggers like this: