জাপানীজদের পড়া শুনা

জাপানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশুনার সময় অনেক বেশি মনোযোগ থাকে। কেউ কারও সাথে কথা বলে না। একাগ্রচিত্তে পড়া শুনা করে। তাদের পড়াশুনার সময় সাধারনত দল বেধে পড়াশুনা করে। হাতের কাছে বিভিন্ন খাবার পানিয় যেমন ফলের জুস, ওচা (এক ধরনের পানিয়) থাকে। তারা আলচোনা করে কঠিন বিষয় আত্মস্থ করে।

কি কি উপকরন থাকে?

জাপানীজ  ছাত্র ছাত্রীরা তাদের স্কুলের ব্যাগে পেন্সিল বক্স, বই, খাতা, স্কেল, ইত্যাদি উপকরন থাকে। ল্যাপটপ ও স্মার্ট ফোন তাদের নিত্য সঙ্গী। প্রতিটি ছাত্র ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এসে তাদের পছন্দের বিষয় নিয়ে পড়া শুনা করে। যেমন, পৃথিবী বিজ্ঞান, রোবট বিজ্ঞান, ইত্যাদি। কেউ কোন বিষয়ে ভর্তি হলে সেই বিষয়ে  একেবারে অভিজ্ঞ ও দক্ষ হয়ে ওঠে। এক বিষয়ের ছাত্র ছাত্রী রা সাধারণত অন্য বিষয় এ বেশি একটা পারদর্শী হয় না। জাপানের স্কুল এ তারা সবাই বিজ্ঞানের প্রাথমিক ধারনা সু দক্ষ ভাবে নিয়ে থাকে। ইরেজি শিক্ষা তারা স্কুল পর্যায়ে পড়ে থাকে। ইংরেজি একটা ঐচ্ছিক বিষয় হিসাবে পড়ে। ইংরেজি পড়া টা তাদের বাদ্ধতামুলক নয়। তারা কম্পিউটার  চালনায় অনেক বেশি দক্ষ থাকে।

জাপানের সমস্ত  তরুন ও প্রবীণরা বর্তমান আমেরিকা কে অনেক বেশি অনুসরন করে।

জাপানে ছাত্র ছাত্রী রা স্কুল পর্যায়ে একটা স্কুল ড্রেস পরে কিন্তু  বিশ্ব বিদ্যালয়ে তাদের নির্দিষ্ট কোন ড্রেস নাই।

২০ বছর এর পর তারা আনুষ্ঠানিক ভাবে অ্যালকোহল (বিয়ার, হুহিস্কি, ওয়াইন) পান করে। জাপানে ১৮ বছর এর নিচে কেউ গাড়ি চালাতে পারে না।

কোন একটা লাইব্রারিতে তারা পড়া শুনা করে দল বেধে অথবা একা।  বিশ্ব বিদ্যালয়ে লাইব্রেরি গুলো শনি ও রবি বার ও  খোলা থাকে রাত ১০ টা পর্যন্ত।

জাপানে সময়ের মূল্য টাকার অংকে ১০০০-১২০০ জাপানিজ ইয়েন (৫০০-৬০০ টাকা)। টাই তারা  সময় কে অনেক মূল্য দেয়। পড়া শুনার সময় তারা কেউ কেউ পার্ট টাইম জব করে। জাপানে ছাত্র ছাত্রীরা বেশিরভাব ই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পড়া শুনার খরচ যোগায় তাই তারা একটা দায়িত্ব বোধ নিয়ে পড়া শুনা করে। আর পাস করে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করে।  জাপানে সব বিষয় কেই খুব গুরুত্ব দেয়া হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Show Buttons
Hide Buttons
%d bloggers like this: