জাপানে বাবার ৩য় মৃত্যু বার্ষিকী স্মরনঃ শ্রাবন্তি

শ্রাবন্তি বিশ্বাস
ফাইল ফটো; ২০১৬ সাল এপ্রিল শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান, বাংলাদেশ।

জাপানে বাবার ৩য় মৃত্যু বার্ষিকী স্মরনঃ শ্রাবন্তি

বাবা বলেছিল তুই একদিন ব্যারিস্টার হবি। বাবার সেই আশা কোনদিন পুরন করতে পারলাম না। আমি ব্যারিস্টার হতে পারিনি। এমন ই করে আক্ষেপ করছিলেন শ্রাবন্তি।   বাবার প্রতিটা কথা আজও কানে বাজে। আজ বাবার ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী তাই মাকে জাপানে নিয়ে এসেছি। শ্রাবন্তির স্থায়ী ঠিকানা বাংলাদেশের মাগুরা  জেলার  গোপীনাথপুর গ্রাম।

স্বামীর পড়াশুনার সুবাদে শ্রাবন্তি জাপানে এসেছিল ২০১৫ সালের জুন মাসে। এর ঠিক কিছুদিন পর ই বাবার স্ট্রোক এর খবর পান সুদূর জাপানে বসে। সাথে সাথেই  বিলম্ব না করে জাপানের সেন্দাই বাসি সোহেল ভাই  আপ্রান সহযোগিতায় স্বামী সন্তান নিয়ে বাংলাদেশে চলে যান বাবাকে শেষ দেখা করার জন্য। সেই সব দিনের কথা মনে করে ভেঙ্গে পরছিলেন শ্রাবন্তি।

আজ ২০১৯ সালের  মার্চ এর ২১ তারিখ বাবার ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী। এই দিনে বাবা পৃথিবী থেকে  স্বর্গবাসী হয়েছিল।   মা এসেছে জাপানে।  এই দিনে মা  পাশে আছে তাই ভাল লাগছে জাপানের সেন্দাইতে। মাকে নিয়ে অনেক জায়গা ঘুরেছি। তার মধ্যে জাপানে ২০১১ সালের এই মার্চ মাসে যে বিশাল সুনামি হয়েছিল সে প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে। এত কিছুর পরেও বাবাকে ভুলতে কষ্ট হয়। বাবা ছিল মহাসাগরের মত বিশাল। ছোট বেলায় বাবাকে আনেক কস্ট দিয়েছি। এই প্রবাসে এসে বাবাকে একবার শেষ কথা বলতে পারলাম না। এটাই মনে হয় প্রবাশ জীবনের মন্দ দিক। যাই হোক পৃথিবীর সব বাবা ভাল থাকুক।

বাবা ছিলেন পরোপকারী এর দান শীল এক মানুষ। মানুষ কে দুহাত ভরে দান করেছেন। বাবা আমার মেয়েটাকে দেখে  আশীর্বাদ করে বলেছে  ও তো বিশ্ব সুন্দরী হবে দেখিস 

বাবার  আদর্শ ধরে রাখতে চাই। দানশীল  ও পরোপকারী হয়ে মানুষ কে আর ও ভালবাসতে চাই-এমনটাই বলছিলেন শ্রাবন্তি।

শ্রাবন্তি বিশ্বাস
শ্রাবন্তি বিশ্বাস

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Show Buttons
Hide Buttons
%d bloggers like this: