জাপানে বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ মহাধুমধামে উজ্জাপিত

বাংলা নববর্ষ 1426
বাংলা নববর্ষ 1426; ফটো সেশন পর্ব সাকুরা ফুলের সাথে
বাংলা নববর্ষ 1426
বাংলা নববর্ষ 1426; পান্তা ইলিশের জন্য প্রস্তুত কৃত টাটকা ইলিশ ভাজি।
বাংলা নববর্ষ 1426
বাংলা নববর্ষ 1426; খাবার পরিবেশনায় বাস্ত সবাই, স্থান , সেন্দাই জাপান।
নববর্ষ
নববর্ষ; ছোট দের খেলা ধুলা
colorgeo
রিয়ানা

সোনার এ দিন গুলো জীবনের দিন গুলো ঝরে যায় … যাবে ঝরে…  মান্নাদের   এই গানের মতই  সুখের দিনগুলোকে ধরে রাখা যায় না। আর রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের সেই কাল জয়ী গান,  দিন গুলো মোর সোনার খাঁচায় রইল না……।। ঠিক এই ভাবেই প্রকৃতির নিয়মে আরো একটি বছর আমরা পিছনে ফেলে আসলাম। আর রেখে আসলাম সুখ ও দুঃখের আরও কিছু মুহূর্ত।

আজ ১৪ এপ্রিল ২০১৯ জাপানের সেন্দাইতে  মহাধুমধামে বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ উজ্জাপিত হল।  আয়োজক ছিল প্রবাসী  বাংলদেশিদের নিয়ে গঠিত সাবাস বাংলাদেশ (সাবাসীশ) গ্রুপ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল সেন্দাই, জাপান এ বাংলাদেশের অন্তত ১০০ প্রবাসী ভাই ভাবি ও তাদের ছোট্ট বাবুরা। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিল বাংলাদেশের বেগম রোকেয়া বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষক  মোঃ আব্দুল লতিফ ও তার সহকারী বৃন্দ।

জাপানের সেন্দাইতে আজ যেন ছোট্ট  একটা বাংলাদেশ মেতে উঠেছিল বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ পালনে। বাংগালিদের পুরন ঐতিহ্য পান্তা ইলিশ  খাওয়া যেন এক অন্য রকম পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। অন্য রকম স্বাদ। সবাই প্রান ভরে পান্তা ইলিশের স্বাদ উপভোগ করছে। কেউ কেউ পেট পুরে খেয়েছেন। সাথে ছিল প্রবাসী ভাবি দের নিজের হাতে  বানানো সব  সুস্বাদু   বিভিন্ন রকমের ভর্তা, চিকেন কারি,  সুস্বাদু কয়েক রকমের ডাল, সামুসা, চটপটি, কেক, আরও অন্যান্য ডিশ। খেয়ে সবাই পরিতৃপ্ত।

বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ উজ্জাপন শুরু হয়েছে বাংলা সে চির চেনা গান এসো হে বৈশাখ এসো এসো……...।

কি কি ছিল অনুষ্ঠানে?

অনুষ্ঠান এ  আমোদ উল্লাস করার মত বিভিন্ন  আইটেম ছিল। ভাবিদের বালিশ বদল, ছেলেদের ঝুড়িতে বল নিক্ষেপ, হাড়ি ভাঙ্গা, বড় দের বাংলা গানের সুরে নৃত্য ছিল দেখার মত। আরও ছিল ছোট দের বিভিন্ন খেলা। অনুস্থানের ফাঁকে  ফাঁকে ভাই ভাবিরা গল্পে গল্পে সুন্দর সময় কাটিয়েছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন খেলায় বিজয়ী দের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন সেন্দাই এর ধনাঢ্য বাবসায়ী ইকবাল হোসাইন মনির ভাই সহ অনুস্থানের আয়োজক কমিটি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেন্দাই  এর  বাংলাদেশ  প্রবাসী  সফল বাবসায়ী  সবার  জ্যেষ্ঠ   সেলিম মজুমদার ভাই ও ভাবি।

জাপানে এখন চলছে বসন্ত তাই চারিদিকে ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে। ভাবিরা যেন মিশে গিয়েছিলেন প্রকৃতির মাঝে। চলেছে ফটো সেশন, আপন জন দের সাথে।

খাবার রান্না ও পরিবেশনা;

জাপানে প্রবাসীরা সবাই ব্যাস্ত। তাই প্রত্যেকেই যে যার মত নির্দিষ্ট  খাবার তাদের বাসা থেকে রান্না করে এনেছিল। সব মিলিয়ে যেন সমস্ত বাংলাদেশ এক জায়গায় একটি পরিবারের মত মজা করেছে সবাই। অনুষ্ঠান শেষে সমস্ত গ্যালারী টা সবাই হাতে হাত মিলিয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে যে যার বাড়ি গিয়েছে। আজ যেন সবাই আবার প্রান ফিরে পেল নতুন  কিছু করার এই বিদেশ জীবনে । পুরাতন বছর কে  বিদায় আর নতুন কে  স্বাগত  জানিয়ে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Show Buttons
Hide Buttons
%d bloggers like this: